যারা ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছ ধরে, তারা দেশের শত্রু.

 যারা ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছ ধরে, তারা দেশের শত্রু


যারা ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছ ধরে, তারা দেশের শত্রু

নদী, খাল-বিল ও জলাশয়ে অবৈধভাবে ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছ ধরা শুধু আইনবিরোধী নয়, এটি দেশের জলজ সম্পদ ও পরিবেশের জন্যও মারাত্মক হুমকি। বিদ্যুতের শক দিয়ে একসঙ্গে বড়-ছোট নানা ধরনের মাছ মারা বা অচেতন করা হয়। এতে শুধু বাজারযোগ্য মাছ নয়, ছোট মাছ, পোনা ও অন্যান্য জলজ প্রাণীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


এর ফলে একটি জলাশয়ের স্বাভাবিক মাছের প্রজনন ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আজ ছোট মাছ ও পোনা ধ্বংস হলে ভবিষ্যতে সেই নদী-খাল-বিলে মাছের পরিমাণ কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় জেলে সম্প্রদায় এবং সাধারণ মানুষও।


ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছ ধরার সময় বিদ্যুৎ ব্যবহার করায়আশপাশের মানুষও দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। বিশেষ করে পানিতে থাকা অবস্থায় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারের কারণে প্রাণহানির আশঙ্কাও রয়েছে।


দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব। তাই অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে মাছ ধরা বন্ধ করতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি, আইন প্রয়োগ এবং স্থানীয় মানুষের সচেতনতা প্রয়োজন।


যারা নিজেদের সাময়িক লাভের জন্য জলজ সম্পদ ধ্বংস করছেন, তারা আসলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খাবার ও জীবিকার উৎস নষ্ট করছেন। মাছ ধরতে হবে বৈধ ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে—প্রকৃতিকে ধ্বংস করে নয়।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

15s

⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments

Popular posts from this blog

যাত্রা'বাড়ী আ'বা'সিক হো'টেলে ধ'রা প'ড়লো৫০ বছরের মহিলা ও তার নিজের ছোট.

দুই বা/চ্চার মা দে'বরের সাথে পা'লিয়ে গিয়েছিলো তারপর ৩ দিন পর রাতে ধানের জমিতে

ছেলেটি রাস্তায় সেদ্ধ ডিম কিনে খাচ্ছিলো কিছুক্ষণ পরে তার পুরো শরীর.