ভিডিওর ভয় দেখিয়ে সংঘবদ্ধ ধ/র্ষণে অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, পলাতক বিএনপি নেতাকে খুঁজছে পুলিশ

 ভিডিওর ভয় দেখিয়ে সংঘবদ্ধ ধ/র্ষণে অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, পলাতক বিএনপি নেতাকে খুঁজছে পুলিশ


নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক স্কুলছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ ও দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন সময়ে অন্যদের দিয়েও ধর্ষণ করানো হয়েছে। পরে ওই স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেছে তার পরিবার।


এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় মামলা করেছেন। মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়া (৩৬) গ্রেপ্তার হয়েছেন। তবে মামলার প্রধান আসামি রফিকুল ইসলাম ভূঞা বকুল (৫০) এখনো পলাতক।বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম।


মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। পরিবারের অভিযোগ, ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর বকুল মিয়া তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে তাকে আবারও ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে বকুল মিয়ার এক নারী সহযোগী ওই ছাত্রীকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বকুল মিয়ার নেতৃত্বে একাধিক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্তও বিভিন্ন সময়ে একইভাবে তাকে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে।


পরিবারের দাবি, গত ১ আগস্ট ওই ছাত্রীর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। পরে ১৮ আগস্ট একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পরীক্ষা করানো হয়। সেখানে তাঁকে প্রায় ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানানো হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।এরপর মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীর বাবা কেন্দুয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে বকুল মিয়াকে। তিনি কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সহ-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।


ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী অভিযোগ করে, ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে বিভিন্ন বাসায় নিয়ে যাওয়া হতো। সেখানে তাকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। এ ঘটনায় সে আতঙ্কিত। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে সে।


এদিকে বুধবার রাতে কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বকুল মিয়াকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয় ওই নেতাকে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।


ভুক্তভোগী কিশোরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং তার পরিচয় গোপন রাখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


কেন্দুয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, কেন্দুয়া পৌরসভার সাউদপাড়া থেকে ভুক্তভোগীর বাবার দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে বুধবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে জোর চেষ্টা চলছে।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

15s

⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments

Popular posts from this blog

যাত্রা'বাড়ী আ'বা'সিক হো'টেলে ধ'রা প'ড়লো৫০ বছরের মহিলা ও তার নিজের ছোট.

দুই বা/চ্চার মা দে'বরের সাথে পা'লিয়ে গিয়েছিলো তারপর ৩ দিন পর রাতে ধানের জমিতে

ছেলেটি রাস্তায় সেদ্ধ ডিম কিনে খাচ্ছিলো কিছুক্ষণ পরে তার পুরো শরীর.