আমাকে বাঁ’চা’ন, আমাকে বাঁ’চা’ন।এই কথা বলার মাত্র দশ মিনিট পর
আমাকে বাঁ’চা’ন, আমাকে বাঁ’চা’ন।এই কথা বলার মাত্র দশ মিনিট পর
কল্পনা মিশ্র প্রথমবার মা হতে যাচ্ছিলেন। এই খুশিতে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন সঞ্জয় গান্ধী হা’স’পা’তা’’লে। বাবা-মায়ের একমাত্র মেয়ে তিনি। মেয়ের বিয়ের জন্য তারা ১৫ লাখ টাকার জমিও বিক্রি করেছিলেন। মেয়েটাকে নিয়ে তাদের স্বপ্ন ছিল অনেক।
কিন্তু প্র’স’বে’র সময় কল্পনার শরীর খারাপ হতে শুরু করে। প্রচণ্ড য’ন্ত্র’ণা’য় তিনি বারবার আশপাশের মানুষদের বলছিলেন, “আমাকে বাঁ’চা’ন, আমি বাঁ’চ’ব না।” এই কথা বলার মাত্র দশ মিনিট পর তিনি ও তার নবজাতক মা’’রা যান।
মৃ’ত্যু’’র পূর্বে ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, চরম শারীরিক ও মা’ন’সি’ক য’ন্ত্র’ণা’’র মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন কল্পনা। মহিলা ওয়ার্ডে কেঁ’দে কেঁ’’দে পরিবারের সদস্যদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন তিনি। তখন নার্সিং স্টাফরা তাকে আ’’ট’কে রাখার চেষ্টা করে এবং একজন স্টাফ সদস্য তাকে প্রশ্ন করেন, তুমি কি পা’গ’’ল হয়ে গেলে? কিন্তু কল্পনা নিজের স্বজনদের উদ্দেশ্যে সঠিক চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে সাহায্য চাইতে থাকেন।কল্পনার বাবা রামশরণ মিশ্র বলেন, আমি বারবার ডাক্তারদের কাছে গিয়েছি, তাকে পরীক্ষা করার অনুরোধ করেছি। কিন্তু কেউ মনোযোগ দেয়নি। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না পাওয়াতেই আমার মেয়ের মৃ’’ত্যু হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, মেয়ের অবস্থা সং’ক’টা’’পন্ন হওয়ার পর চিকিৎসক ৩ লাখ টাকা দাবি করেন। কিন্তু এত টাকা দিতে না পারায় চিকিৎসকের পরিবর্তে একজন নার্সই অ’স্ত্রো’প’চা’’র করেন। আর সেই কারণেই কল্পনার মৃ’’ত্যু হয়েছে ।
পরিবারের প্রধান অভিযোগগুলোর একটি হলো অ্যানাস্থেসিয়া বা অ’’ব’শ করার ওষুধের মাত্রা। স্বজনদের দাবি, ই’ন’জে’ক’শ’’ন দেওয়ার পর কল্পনার আর জ্ঞা’’ন ফেরেনি। অতিরিক্ত মাত্রায় ওষুধ দেওয়ার কারণেই এই মৃ’’ত্যু ঘটে থাকতে পারে বলে তাদের সন্দেহ।পরিবার আরও বলছে, হাসপাতালে কল্পনার সাথে খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে। একজন নারী, যিনি সবচেয়ে বেশি যত্ন পাওয়ার কথা, তার সাথেই যদি এমন ব্যবহার হয় — তাহলে বোঝা যায়, নারীর প্রতি সম্মান আসলে কথায় যতটা আছে, কাজে ততটা নেই।
দুই নার্সকে সাময়িক ব’র’খা’স্ত করা হয়েছে। কিন্তু পরিবারের কথা, যে ডাক্তারের নাম উঠে এসেছে, তার বিরুদ্ধে এখনো কিছু করা হয়নি। প্রশ্ন হলো — দোষ কি সবসময় ছোট পদের মানুষদেরই হয়? বড়রা কি সবসময় পার পেয়ে যান?
কল্পনার মৃ’’ত্যু শুধু একটা পরিবারের কষ্টের গল্প না। প্রতিদিন অনেক নারী এভাবেই প্র’স’ব’’ক’ক্ষে ঢোকেন, ভ’’য় নিয়ে — ঠিকমতো চিকিৎসা পাবেন তো? টাকা না থাকলে অবহেলা হবে না তো?
জীবন কখনো কখনো বড় কঠিন প্রশ্ন রেখে যায়। যে মেয়েটা মা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিল, সে কেন ফিরল না? তার ডাক শোনার জন্য কেন কেউ এগিয়ে এলো না?
তদন্ত চলছে। একদিন হয়তো রিপোর্টও আসবে। কিন্তু কল্পনার বাবা-মা যে প্রশ্ন প্রতিদিন নিজেদের করছেন, তার উত্তর কি সত্যিই কোনো রিপোর্ট দিতে পারবে — কেন তাদের একমাত্র মেয়েকে এভাবে চলে যেতে হলো?
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments
Post a Comment