মৃ’ত্যু’’র পরও মেয়েরা নিরাপদ না।অ্যাম্বুলেন্সের চালক সাগর ম’র’দে’হে’র সঙ্গে অ
মৃ’ত্যু’’র পরও মেয়েরা নিরাপদ না।অ্যাম্বুলেন্সের চালক সাগর ম’র’দে’হে’র সঙ্গে
সন্ধ্যায় লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আ’ট’’ক করা হয়। লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় জানিয়েছেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একটা মেয়ে জীবিত অবস্থায় নিরাপত্তার খোঁজে ঘরে, রাস্তায়, সমাজে হাঁটে। তারপরও কোথাও তার জন্য নিরাপদ জায়গা মেলে না — শেষমেশ সে নিজের হাতে নিজের জীবন শেষ করে দেয়। আর মৃ’ত্যু’’’র পরও, যে দেহটা আর কোনো প্রতিরোধ করতে পারে না, তাকেও রেহাই দেয় না এই সমাজের কিছু বি’কৃ’’ত মানসিকতার মানুষ।
প্রশ্নটা তাই আর শুধু “নারীর নিরাপত্তা” নিয়ে থাকে না। প্রশ্নটা হয়ে দাঁড়ায় — মানুষ নামের এই প্রাণীটার বিবেক, ল’’জ্জা আর মনুষ্যত্ব ঠিক কোথায় গিয়ে থামে? জীবিত অবস্থায় সম্মান না পাওয়া, আর মৃ’ত্যু’’’র পরও অসম্মানিত হওয়া — এই দুইয়ের মাঝে দূরত্ব যে সমাজে এত কম, সে সমাজ আসলে কতটা সুস্থ, সেই প্রশ্নটাই এখন সবচেয়ে জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হায়রে মানুষ, হায়রে দুনিয়া — এই কথাটা এক লাইনের আক্ষেপ নয়, বরং একটা গোটা সমাজব্যবস্থার প্রতি জমে থাকা’’র পরও মেয়েরা নিরাপদ না, নড়াইলের লোহাগড়ায় এক ম’র্মা’ন্তি’ক ও ল’জ্জা’জ’ন’ক ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার সকালে লোহাগড়া উপজেলার ছাগলছেঁড়া গ্রামে সাদিয়া আক্তার লামিয়া নামের এক গৃ’হবধূ গলায় ও’ড়’না পেঁ’চি’’য়ে আ’ত্ম’হ’’’’ত্যা করেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে রাতে থানায় নেওয়ার জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্সে তোলে। অভিযোগ, সেই অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই চালক সাগর শেখ (২৮) মরদেহের সঙ্গে অ’নৈ’তি’’ক আচরণের চেষ্টা করেন। জানালা গা’ম’’ছা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল, যাতে ভেতরের দৃশ্য বাইরে থেকে বোঝা না যায়। সাদিয়ার মা নিজে গিয়ে তাকে হা’তে’না’তে ধরে ফে’লে’ন।
খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় মানুষ ক্ষু’’ব্ধ হয়ে সাগর শেখকে গ’ণ’ধো’লা’’ই দেন এবং পরে পুলিশে সোপর্দ করেন। রোববারথাকা প্রশ্নচিহ্ন।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments
Post a Comment