১২০ বছর বয়সী মায়ের আকুতি যা শুনলে আপনি.
১২০ বছর বয়সী মায়ের আকুতি যা শুনলে আপনি.
বৃদ্ধ মায়ের ১২০ বছর বয়স হয়েছে, এমনকি তাঁর সাথে থাকা তাঁর মেয়েরও অনেক বয়স হয়ে গেছে। তাঁদের দুজনের কারোরই স্বামী বেঁচে নেই। বাড়িতে কোনো পুরুষ মানুষ না থাকায় খাবারের কষ্টে মা ও মেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে মানুষ যাতায়াত করছে, আর তাঁদের কাছেই খাবার ভিক্ষা চাইছেন অসহায় ও বৃদ্ধ মা। তাঁদের শুধুমাত্র থাকার জন্য এই ঘরটি আছে, ঘরের মধ্যে কোনো কিছুই নেই। মাটির মেঝেতে তাঁরা শুয়ে থাকেন। প্রতিবেশীরা একটু সাহায্য করেন, আর সেই সাহায্যের চাল দিয়েই কোনো মতে খেয়ে বেঁচে আছেন। কতদিন হলো তাঁরা মাছ-মাংস চোখে দেখেন না, তা ভুলেই গেছেন।বৃদ্ধ মা বয়সের কারণে আর হাঁটাচলা করতে পারেন না। সব সময় মাটির মধ্যে পড়ে থেকে কান্নাকাটি করেন শুধু মাত্র ক্ষুধার কষ্ট থেকে ম**রে যাওয়ার জন্য। কারণ তিনি জানান, ক্ষুধার কষ্ট তাঁকে মৃ**ত্যুর কষ্ট থেকেও বেশি যন্ত্রণা দিচ্ছে। খাবার খেতে না পেরে আর বয়সের ভারে তাঁর শরীরটা কঙ্কাল হয়ে গেছে।
অসহায় বৃদ্ধ মায়ের কন্যাটি মানুষের দ্বারে দ্বারে এবং বাড়িতে গিয়ে ভিক্ষা করেন। ভিক্ষার সেই সামান্য সাহায্য দিয়েই তাঁরা মা ও মেয়ে বেঁচে আছেন। কিন্তু সেই সাহায্যও তাঁরা প্রতিদিন পান না। বাড়িতে শুধু ভাতই রান্না হয়; ভাত খাওয়ার জন্য তরকারি আর রান্না করতে পারেন না, কারণ বাজার করার টাকা তাঁদের কাছে নেই।
বৃদ্ধ মায়ের ১২০ বছর বয়স হয়েছে, এমনকি তাঁর সাথে থাকা তাঁর মেয়েরও অনেক বয়স হয়ে গেছে। তাঁদের দুজনের কারোরই স্বামী বেঁচে নেই। বাড়িতে কোনো পুরুষ মানুষ না থাকায় খাবারের কষ্টে মা ও মেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।লোকেশন :
গ্রাম: দেগদেরীর পার, ইউনিয়ন: ভিতরবন্দ, থানা: নাগেশ্বরী (বা কুড়িগ্রাম সদর), জেলা: কুড়িগ্রাম।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments
Post a Comment